লোহাগাড়ায় নবগঠিত এনসিপির আহবায়ক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
আবুল কালাম আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
সাম্প্রতিক চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মোস্তাক আহমেদ সবুজকে আহবায়ক ডি এম মারুফ হাসান রিজভী কে সদস্য সচিব করে ১২০ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে।
৬ ই নভেম্বর (শুক্রবার) নবগঠিত উপজেলার আহ্বায়ক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ৬ ই নভেম্বর (শুরুবার) দুপুর ৩ টায় উপজেলার বটতলী মোটর স্টেশনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে গ্রান্ড মাশাবী রেস্টুরেন্টের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে গ্রান্ড মাশাবীর হল রুমে উপজেলার দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় লোহাগাড়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমদ সবুজ,র সভাপতিত্ব করেন অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক লায়ন এ এম মুন্না চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সদস্য সচিব জুবায়েরুল আলম মানিক।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব খান তালাত মাহমুদ রাফি, দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন,এনসিপির দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব জহির উদ্দিন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক জিয়াউর করিম, চন্দনাইশ উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আনাস মাহমুদ এবং পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এম এ রশিদ নবগঠিত উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব ডি এম মারুফ হাসান রিজভী।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দূর্নীতি,বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মান করা।
দূর্নীতির মাধ্যমে এই দেশকে একটি তলাবিহীন জুড়িতে পরিণত করেছে রাজনীতিবীদ ও আমলারা, ১৯৭১ সালের পর থেকে যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই দূর্নীতি ও লুটপাটে ব্যস্তছিল যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা হুমকির মূখে।
বৈষম্যমুক্ত দেশ গঠনে ৩৬ জুলাই সংগঠিত হয়েছিল কিন্তু বর্তমান সরকার ৩৬ জুলাইয়ের আকাংখা বাস্তবায়ন করতপ পুরাপুরি ব্যর্থ হয়েছে,এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি রাষ্ট্র কাঠামোর সকল স্থরে নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে প্রকৃত মেধাবীদের বাদ দিয়ে দলীয় লোক নিয়োগের মাধ্যমে সরকারি অফিস সমূহ কে দলীয় অফিসে পরিণত করছে।
রাজনৈতিক দলগুল রাজনৈতিক মঞ্চে ন্যায় ইনসাফের কথা বললেই প্রকৃত পক্ষে ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক দেশে পরিচালনায় তারা আগ্রহী নয় ইনসাফ হয় তার দল ও দলীয় লোকের ক্ষেত্রে অন্য দলের নূন্যতম ইনসাফ তারা দেখাতে ব্যর্থ।
নতুন প্রজন্মের দেওয়া রক্তের প্রতিশোধ হিসেবে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্থরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এনসিপি, তরুণ প্রজন্ম এনসিপির নেতৃত্বে টেকনাফ - তেতুলিয়া পর্যন্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় হাতে নিয়েছে এতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করবে।
অনুষ্ঠানে নবগঠিত উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ আরো অনেকে উপস্থিতি ছিলেন।