লামায় ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি
বেলাল আহমদ,লামা (বান্দরবান)প্রতিনিধি।
সারাদেশে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বান্দরবানের লামায় অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল পালন করছে সরকারি কর্মচারীরা।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি,কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ঘোষিত আগামী ০১ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ হতে ০৩ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ (৩ দিন) সকাল ৯টা হতে ১১টা পর্যন্ত ২ ঘন্টা অবস্থান লামা উপজেলা শাখা এই কর্মসূচি পালন করেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে লামা উপজেলা পরিষদ চত্বরে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা। এসময় তারা বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে সংগতি রেখে দ্রুত নতুন পে-স্কেল ঘোষণা এবং দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বৈষম্য নিরসনের দাবিতে স্লোগান দেন।
প্রধান দাবিগুলো হলো:"পে-কমিশন গঠন পূর্বক ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং অন্তর্বর্তীকালীন ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান।
১৯৭৩ সালের বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১০ ধাপে বেতন স্কেল নির্ধারণ এবং বেতন বৈষম্য দূরীকরণ।
সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয় বহির্ভূত দপ্তর-অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদনাম ও গ্রেড পরিবর্তন।
টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনঃপ্রবর্তন এবং সকল ব্লকিং পদ পদোন্নতিযোগ্য করা।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিনা সুদে গৃহনির্মাণ ঋণ এবং পেনশন গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি।
আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে কর্মরত কর্মচারীদের রাজস্বখাতে স্থায়ীকরণ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড প্রদান এবং নন-গেজেটেড পদগুলো কারিগরি পদ ঘোষণা"।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, "দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির এই বাজারে বর্তমান বেতন দিয়ে পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।আমরা দু-মুঠো ডালভাত খেয়ে বাচঁতে চাইআমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসলেও তা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই শান্তিপূর্ণ রাজপথের আন্দোলন চলবে।"
কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও সাধারণ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।